জাপানের ফুকুওকা বিমানবন্দরে একটি যাত্রীবাহী বিমানের কার্পেটের নিচে সাপের সন্ধান পাওয়ার পর ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। বিমানের এক মেকানিক সাপটি দেখতে পান। পরে বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞের সহায়তায় প্রায় ২৪ ঘণ্টা পর সাপটিকে উদ্ধার করা হয়।
প্রায় ৪০ সেন্টিমিটার লম্বা সাপটি বিষধর নয় বলে জানা গেছে। তবে কীভাবে সাপটি বিমানের ভেতরে প্রবেশ করল, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, প্রাকৃতিক পরিবেশ থেকে কোনোভাবে এটি বিমানে ঢুকে থাকতে পারে।
বিমানটি জাপানের ইজুমো বিমানবন্দর থেকে ফুকুওকায় পৌঁছেছিল। সেখান থেকে কাগোশিমা প্রশাসনিক এলাকার উদ্দেশে পরবর্তী যাত্রার প্রস্তুতি চলছিল। এ সময় বিমানের ভেতরে সাপের উপস্থিতি ধরা পড়লে নিরাপত্তার স্বার্থে ফ্লাইটটি বাতিল করা হয়।
এ ঘটনায় যাত্রীদের ভোগান্তির জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছে জাপানের বিমান সংস্থা জাপান এয়ার কমিউটার। সংস্থাটি জানিয়েছে, তাদের কোনো বিমানের যাত্রীকক্ষে সাপ পাওয়ার ঘটনা এর আগে ঘটেনি বলে তাদের জানা আছে।
এক বিবৃতিতে বিমান সংস্থাটি জানায়, যাত্রীদের বসার জায়গাসহ বিমানের কেবিনে সাপ ঢুকে পড়ার ঘটনা তাদের কাছে নজিরবিহীন। এ ঘটনায় যাত্রীদের যে অসুবিধা হয়েছে, তার জন্য তারা দুঃখিত।
বিমানে সাপ পাওয়ার ঘটনা অবশ্য এটিই প্রথম নয়। ২০১৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা থেকে হাওয়াইগামী একটি ফ্লাইটে এক ব্যক্তি ভুল করে সাপ নিয়ে উঠেছিলেন। এ ছাড়া ২০২২ সালে কেবিনের ভেতরে সাপ দেখতে পাওয়ার পর এয়ারএশিয়ার একটি ফ্লাইটের গতিপথ পরিবর্তন করতে হয়েছিল।
জাপানের এ ঘটনাটি আবারও বিমানের কেবিনে অপ্রত্যাশিত প্রাণীর উপস্থিতি এবং যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়টি সামনে এনেছে।





