যুদ্ধের শুরুতে চেয়ে এখন বেশি শক্তিশালী ইরান: সেনাবাহিনীর মুখপাত্র
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর সময়ের তুলনায় বর্তমানে ইরানের সামরিক বাহিনী আরও শক্তিশালী, সতর্ক ও আত্মবিশ্বাসী অবস্থানে রয়েছে বলে দাবি করেছেন দেশটির সেনাবাহিনীর মুখপাত্র মোহাম্মদ আকরামিনিয়া। তাঁর মতে, সরাসরি সংঘাতে অংশ নেওয়ার অভিজ্ঞতা ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর সক্ষমতা ও মনোবল বাড়িয়েছে।
শনিবার (৭ নভেম্বর) ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ইরনা (আইআরএনএ) আকরামিনিয়ার এই বক্তব্য প্রকাশ করে। বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনেও বিষয়টি উঠে এসেছে।
যুদ্ধের অভিজ্ঞতায় বেড়েছে সামরিক প্রস্তুতি
ইরানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র মোহাম্মদ আকরামিনিয়া বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সরাসরি সামরিক সংঘাতে অংশ নেওয়ার ফলে দেশটির সশস্ত্র বাহিনী আগের তুলনায় আরও বেশি অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে। এই অভিজ্ঞতা তাদের সামরিক প্রস্তুতি ও সতর্কতা বাড়াতে ভূমিকা রেখেছে।
তিনি জানান, যুদ্ধের প্রাথমিক পর্যায়ের তুলনায় বর্তমানে ইরানের সামরিক বাহিনী অনেক বেশি সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। একই সঙ্গে তাদের সামরিক সক্ষমতাও আগের চেয়ে শক্তিশালী হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
আকরামিনিয়ার বক্তব্য অনুযায়ী, সরাসরি সংঘাতের অভিজ্ঞতা ইরানের সামরিক বাহিনীর সদস্যদের বাস্তব পরিস্থিতি মোকাবিলার দক্ষতা বাড়িয়েছে। যুদ্ধের মধ্য দিয়ে অর্জিত অভিজ্ঞতা তাদের ভবিষ্যৎ সামরিক প্রস্তুতির ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
মনোবল ও আত্মবিশ্বাস বেড়েছে বলে দাবি
ইরানের এই সেনা কর্মকর্তা আরও বলেন, যুদ্ধ শুরুর সময়ের তুলনায় বর্তমানে দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের মনোবল, দায়িত্ববোধ ও আত্মবিশ্বাস অনেক বেশি।
তাঁর দাবি, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সরাসরি সংঘাতের অভিজ্ঞতা ইরানের সামরিক বাহিনীকে আরও দৃঢ় অবস্থানে নিয়ে গেছে। পাশাপাশি সামরিক দায়িত্ব পালনে তাদের অঙ্গীকারও বেড়েছে।
আকরামিনিয়া মনে করেন, সংঘাতের অভিজ্ঞতা শুধু সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতেই নয়, বাহিনীর সদস্যদের মানসিক প্রস্তুতি ও আত্মবিশ্বাস তৈরিতেও প্রভাব ফেলেছে।
তবে ইরানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্রের এসব বক্তব্য দেশটির সামরিক বাহিনীর নিজস্ব মূল্যায়ন ও দাবি। সামরিক সক্ষমতা কতটা বেড়েছে, সে বিষয়ে স্বাধীন কোনো পরিসংখ্যান বা বিস্তারিত মূল্যায়ন এই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।
